খেলাপি ঋণের কারণে বাতিল হয়েছে ৯৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন




আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ৩ হাজার ৬৫টি মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে জমা পড়ে। এরপর ২ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাইয়ে ৭৮৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। যার মধ্যে শুধুমাত্র ঋণ খেলাপি কারণে ৯৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ৩৩ প্রার্থী।

বিএনপির ৩৩ প্রার্থী হলেন- নাসিমা আক্তার কল্পনা (ঢাকা-৭), এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন (ঢাকা-১৬),সাজ্জাদ জহির (ঢাকা-৮), আফরোজা আব্বাস (ঢাকা-৯), আবু বকর সিদ্দিক (ঢাকা-১৪), শওকত আজিজ (ঢাকা-১৭), সুলতান আহমেদ (ঢাকা-২০), গিয়াস কাদের চৌধুরী (চট্টগ্রাম-২ ও ৭), এ কে এম আবু তাহের (চট্টগ্রাম-৩),আসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৪),আবু আহমেদ হাসনাত (চট্টগ্রাম-৭), সামসুল আলম (চট্টগ্রাম-১০), সামির কাদের চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬), আবদুল গফুর ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১০), শাহীনুর ইসলাম (দিনাজপুর-৬), আব্দুল খালেক (কুড়িগ্রাম-৩), রফিকুল ইসলাম (গাইবান্ধা-৩), নাজেমুল ইসলাম প্রধান (গাইবান্ধা-৫), এ কে এম মতিউর রহমান (রাজশাহী-৩), এম এ মুহিত (সিরাজগঞ্জ-৬), এস এম শফিকুল আলম (খুলনা-৬), মো শাহাজান (পটুয়াখালী-৩), গোলাম নবী আলমগীর (ভোলা-১), মাহবুব আনাম (টাঙ্গাইল-১), নুর মোহাম্মদ খান (টাঙ্গাইল-৬), হযরত আলী (শেরপুর-১), মো. আখতারুজ্জামান (কিশোরগঞ্জ-২), মো. আবদুল্লাহ (মুন্সীগঞ্জ-১), মাকসুদুল আলম খন্দকার (নারায়ণগঞ্জ-৫), জয়নুল জাকেরীন (সুনামগঞ্জ-৪), কাজী নাজমুল হোসেন (ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৫) ও আবদুল লতিফ জনি (ফেনী-৩)

ঋণ খেলাপির কারণে প্রার্থীতা হারিয়েছেন স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরা হলেন- সুলতান আহমদ খান- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (ঢাকা-৩), আবদুল মালেক- খেলাফত আনন্দোলন (ঢাকা-৪), কবির হোসেন- বিকল্পধারা (ঢাকা-৪), নজরুল ইসলাম- গণফোরাম (ঢাকা-৪), ফরিদুল আকবর- গণফোরাম (ঢাকা-১০,১৬ ও ১৭), সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ- ইসলামিক ফ্রন্ট (ঢাকা-১৪), মুকুল আমিন- জেপি (ঢাকা-১৫), আরিফুল হক- বিকল্পধারা (ঢাকা-১৭), রুবেল আজিজ (ঢাকা-১৭), শহীদ উদ্দিন মাহমুদ- জেএসডি (ঢাকা-১৮), রশিদুল ইসলাম (নীলফামারী-৪), কুমারেশ চন্দ্র রায়- জাসদ (রংপুর-২),  রাইসুল ইসলাম (দিনাজপুর-৩), আতাউর রহমান (দিনাজপুর-৬), আব্দুর রাজ্জাক সরকার- জেএসডি (গাইবান্ধা-১), মাহবুব আলী (বগুড়া-৫), ফয়সাল বিন শফিক- জাকের পার্টি (বগুড়া-৬), মো. শাহাবুদ্দিন- জাতীয় পাটি (রাজশাহী-৩),এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার- জাতীয় পার্টি (পটুয়াখালী-১), খবির উদ্দিন হাওলাদার- বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (পটুয়াখালী-১), ইয়াসমীন আক্তার (ঝালকাঠি-১), কাদের সিদ্দিকী- কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ (টাঙ্গাইল-৪ ও ৮),  আলাউদ্দিন মৃধা- জাতীয় পার্টি (নাটোর-৪), জিয়াউর রহমান (সিরাজগঞ্জ-৩), হাবিবুর রহমান- মুসলিম লীগ (সিরাজগঞ্জ-৬), মো. রোকনুজ্জামান-জাসদ (কুষ্টিয়া-৪), মহিদুল ইসলাম- জাকের পার্টি (যশোর-২), মারুফ হাসান- বিকল্পধারা (যশোর-৩), নাজিম উদ্দিন আল আজাদ- বিকল্পধারা (যশোর-৪), শেখ জামাল উদ্দিন আহমেদ (নড়াইল-২), এস এম জুবায়ের- জাতীয় পার্টি (বাগেরহাট-১), বিশ্বজিৎ সাধু (সাতক্ষীরা-১), সৈয়দ মুজিবর রহমান-খেলাফত মজলিশ (টাঙ্গাইল-৭), কাজী আশরাফ সিদ্দিকী- জাতীয় পার্টি (টাঙ্গাইল-৮), চৌধুরী মো. ইসহাক- জেএসডি (ময়মনসিংহ-৬), এম এ বাশার- এলডিপি (ময়মনসিংহ-৮), নজরুল ইসলাম- মুসলিম লীগ (নেত্রকোনা-১), জাকির হোসেন তালুকদার (নেত্রকোনা-৫), এস এম আবদুল মান্নান-জাতীয় পার্টি (মানিকগঞ্জ-২), নোমান মিয়া-জাতীয় পার্টি (মুন্সিগঞ্জ-২), সিরাজুল হক-গণফ্রন্ট (নারায়ণগঞ্জ-৩), গিয়াস উদ্দিন (নারায়ণগঞ্জ-৪), হাফিজুর রহমান- সিপিবি (ফরিদপুর-২), আলমগীর হোসেন-জাকের পার্টি (শরিয়তপুর-১), নুরুল আমীন- ইসলামী আন্দোলন (সিলেট-৫), মুহিবুল কাদের চৌধুরী-জাতীয় পার্টি (মৌলভীবাজার-২), রেজা কিবরিয়া- গণফোরাম (হবিগঞ্জ-১), সৈয়দ ইফতেকার আহসান- জাতীয় পার্টি (কুমিল্লা-১), নজরুল ইসলাম- এনপিপি (কুমিল্লা-৩), মোস্তাক আহমেদ- মুসলিম লীগ (কুমিল্লা-৩), আনিসুর রহমান- জাপা (কুমিল্লা-৩), আবুল কালাম আজাদ (কুমিল্লা-৪), শাহ আলম- ইসলামী ঐক্যজোট (কুমিল্লা-৫), শেখ আবদুল বাতেন- গণফোরাম (কুমিল্লা-৫), খোরশেদ আলম- জাতীয় পার্টি (চাঁদপুর-৫),আবুল কাশেম- জাসদ (চট্টগ্রাম-৩) নেয়ামুল বশির- এলডিপি (চাঁদপুর-৫), এম এ আউয়াল-জাকের পার্টি (লক্ষ্মীপুর-১) ও মাহবুব আলম (লক্ষ্মীপুর-১)।
নবীনতর পূর্বতন