সপ্তম বারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতলেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি



সপ্তম বারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতলের আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। সোমবার রাতে ফ্রান্সে এক বর্ণিল সন্ধ্যায় ঘোষণা করা হয় ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কার।


ভোটাভুটিতে বায়ার্ন তারকা লেওয়ানডস্কিকে হারিয়ে নিজের সর্বোচ্চসংখ্যক ব্যালন ডি’অর জয়ের রেকর্ডকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গেলেন ৩৪ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন তারকা।


তালিকায় বায়ার্ন তারকা ছাড়াও ছিলেন চেলসির ইতালিয়ান মিডফিল্ডার জর্জিনিও, রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ফরোয়ার্ড করিম বেনজেমা ও চেলসির ফরাসি মিডফিল্ডার এনগোলো কন্তে। তবে মেসির নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন লেওয়ানডস্কি।


আগের ছয়বার মেসি এই পুরস্কার জিতেছেন-২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৫ ও ২০১৯ সালে। এক বছর বিরতি দিয়ে আবারো জিতলেন এই ট্রফি। আরো প্রায় এক দশক আগে বার্সেলোনার কিংবদন্তি ও কোচ ইয়োহেন ক্রুইফ বলে গিয়েছিলেন, ‘মেসি হয়তো ৫, ৬ বা ৭টি ব্যালন ডি’অর জিতবে।’ এক দশক পর তার কথাটি সত্যে পরিণত করলেন আর্জেন্টাইন তারকা।


গত জুলাইয়ে মেসি কোপা আমেরিকা জিতেন আর্জেন্টিনার হয়ে। দেশের হয়ে এটাই তাঁর প্রথম শিরোপা। আগস্টে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দেওয়ার আগে কাতালান ক্লাবটিকে জেতান কোপা দেল রে। 


বর্ষসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে মেসি বলেন, ‘এখানে আবার আসতে পারাটা অবিশ্বাস্য। দুই বছর আগেও ভেবেছিলাম এবারই শেষ। কোপা আমেরিকা জয়ই চাবিকাঠি।’ লেভার প্রতি মেসি বলেন, ‘সবাই জানে এবং আমরাও একমত যে তুমিই গত বছর এ পুরস্কার জিতেছ।’


উল্লেখ্য, ১৯৫৬ সালে প্রথমবার চালু হয় ব্যালন ডি অর। তখন কেবল ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়কে দেওয়া হতো এই পুরস্কার। ১৯৯৫ সাল থেকে ইউরোপে খেলা বিশ্বের যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্য পুরস্কারটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০০৭ সাল থেকে সেটি দেওয়া হচ্ছে বিশ্বের যেকোনো জায়গায় খেলা ফুটবলারদের।

নবীনতর পূর্বতন